কাহিনী-১
মেয়েঃ কি করো জান ?
ছেলেঃ এই তো জামার
বোতাম খুলে রাস্তায়
হাঁটছি আর
কানে হেডফোন
লাগিয়ে গান শুনছি ।
মেয়েঃ ছিঃ !
এগুলোতো রিকশাওয়ালাদের
স্বভাব !
ছেলেঃ তো কি হইছে রিকশাওয়ালারা
কি মানুষ
না ? তারা ভাত খায়
বলে কি আমি ভাত
খাওয়া ছেড়ে দিবো ?
তারা রাত্রে ঘুমায়
বলে কি আমি সারারাত
উজাগার থাকবো ?
মেয়েঃ ধুর তুমি সবসময়
আজাইরা যুক্তি দাও ।
ফালতু যত্তসব !
ছেলেঃ আরে বাদ দাও
তো এগুলা ! তারপর
বলো তোমার
কালা বিলাইটা কেমন
আছে ...............
............
( এরপরে দুইজন
দুইপাশে ঘণ্টার পর
ঘণ্টা ছাগলের মত
ভ্যা ভ্যা করতেই
থাকবে)
কাহিনী-২
ছেলেঃ কি করো জানু ?
মেয়েঃ এইতো জানু
গোপীর সিরিয়াল
টা দেখতাছি ।
ছেলেঃ ছিঃ !
তুমি হিন্দি সিরিয়াল
দেখো ?
আমিতো জানি এগুলা বস্তির
মেয়েরা দেখে !
মেয়েঃ মাইন্ড ইউর
ল্যাঙ্গুয়েজ !! তোমার
তো সাহস কম না ??
তুমি আমাকে বস্তির
মেয়েদের
সাথে তুলনা করছো ??
তোমার মেন্টালিটি এত
লো কেন? বেয়াদব
ছেলে কোথাগার !
যা ভাগ ! আমারে আর
ফোন দিবিনা !
......
ব্যাস ! ঘণ্টা পাঁচেক
কোন কথা নাই।
এরপরে বহুত ঘষামাজার
পর সিরাজুদ্দউলার
বেটি কথা বললেও
বলতে পারে।
অনুসিদ্ধান্তঃ কাহিনী-১
এ
ছেলেকে রিকশাওয়ালা বলার
পরও
ব্যাপারটা সে নরমাল
ভাবে নিয়ে কথাবার্তা
স্বাভাবিকভাবেই
চালিয়ে গেছে । কিন্তু
কাহিনী-২ পুরাটাই
উল্টা।
মেয়ে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে
পরিস্থিতি সম্পূর্ণ
ঘোলাটে করে ফেলেছে।
ছেলেদের
এবং মেয়েদের
মেন্টালিটির
পার্থক্যটা ঠিক
এইখানেই ।
ছেলেরা যে কোন
সিরিয়াস বিষয়ও খুব
সহজভাবে নেয়
এবং যে কোন
কড়া পরিস্থিতিও
ঠাণ্ডাভাবে কন্ট্রোল
করে ফেলে। কিন্তু
মেয়েরা অতি তুচ্ছ
বিষয় নিয়েও তুলকালাম
কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলে।
ঠাণ্ডা পরিস্থিতিকে মুহূর্তের
মধ্যেই
পিকেটিং পরিস্থিতি করে ফেলে।
হিন্দি সিরিয়ালগুলোর
কাহিনীই এর জলন্ত
প্রমান।
সম্ভবত এই কারনেই
ইসলামে নারী নেতৃত্ব
হারাম। কেননা নেতৃত্ব
ব্যাপারটা কোন
ছেলেখেলা নয় ।
হিন্দি সিরিয়ালের
বস্তাপচা সস্তা মারপ্যাঁচের
তুলনায় রাষ্ট্র-নেতৃত্ব
ের মারপ্যাঁচ হাজার
হাজার গুনে তীক্ষ্ণ